ব্লগবিডি.কম https://www.vlogbd.com/2022/07/rajbari-district.html

রাজবাড়ী জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য,দর্শনীয় স্থান


এক নজরে রাজবাড়ী জেলা

রাজবাড়ী জেলা,ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। রাজবাড়ী জেলার  উপর দিয়ে বয়ে চলেছে বেশকয়েকটি নদ-নদী.নদী কেন্দ্রীক জেলাটি কে ঘিরে শত শত মানুষ কৃষি কাজের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত,পাশাপাশিএ জেলায় মৎস চাষাবাদ ও শিল্পকারখানায় নিজেরা কর্ম করে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ফেরিঘাট রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ঘাটে অবস্তিত।


রাজবাড়ি জেলা,ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। রাজবাড়ি জেলার  উপর দিয়ে বয়ে চলেছে বেশ কয়েকটি নদ-নদী কেন্দ্রীক জেলাটি কে ঘিরে শত শত মানুষ কৃষি কাজের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত,পাশাপাশি এ জেলায় মৎস চাষাবাদ ও শিল্পকারখানা নিজেরা কর্ম করে,বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ফেরিঘাট রাজবাড়ির গোয়ালন্দ ঘাটে অবস্তিত। রাজবাড়ি জেলার ভৌগলিক পরিচিতি পশ্চিমে কুষ্টিয়া জেলা,পূর্বে মানিকগঞ্জ জেলা,উত্তরে পাবনা জেলা,দক্ষিণে মাগুড়া জেলা। সীমানা: রাজবাড়ি জেলার উত্তরে পদ্মা নদী,পশ্চিম থেকে পূর্বে পদ্মা ও যমুনার সঙ্গমস্থল দৌলতদিয়ার সামান্য উত্তরে আরিচা ঘাট।পদ্মা নদীর অপর পাড়ে পাবনা জেলা ও মানিকগঞ্জ জেলা অবস্থিত।রাজবাড়ির দক্ষিণ দিকে পদ্মা নদীর শাখা নদী,গড়াই-এর ওপারে ঝিনাইদহ ও মাগুরা জেল।পূর্বে ফরিদপুর ও পশ্চিমে কুষ্টিয়া জেলা। রাজবাড়িকে ঘিরে পদ্মা,চন্দনা,গড়াই নদী ও হড়াই নদী, কুমার নদী, ও চিত্রা নদী অবস্থিত। রাজবাড়ি জেলার নামকরণের ইতিহাস রাজবাড়ি জেলা বিভিন্ন রাজার শাসনামলে পরিচালিত হওয়ায় জেলাটির নাম রাজবাড়ি রাখার বেশ যুক্তি আছে তবে কোন রাজার নাম অনুসারে রাখা হয়ে সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি।নাওয়াবা চৌধুরীগনের বাড়ি,রাজ বাড়ি নামে ডাকা হত,তবে ধারণা করা হয় সূর্য কুমারের নামানুসারে রাজবাড়ির নামকরণ করা হয়েছে। রাজবাড়ি জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য  বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদটি জেলায় উন্নতি হওয়ার আগে,রাজবাড়ি জেলা বিভিন্ন জেলার অন্তভুক্ত ছিল,১৭৬৫ সালে ইংরেজরা দেওয়ানী লাভের পর বাংলা বিহার,উড়িষ্যা লাভের পর উত্তর-পশ্চিম ফরিদপুরের অন্তর্ভুক্ত ছিল।রাজবাড়ি জেলার বেশির ভাগ অঞ্চল রাজশাহীর জমিদারি অংশ ছিল।রাজবাড়িতে নাটোর রাজার জমিদারির চিহ্ন রয়েছে,রাজবাড়ি জেলার বেলগাছিতে স্নানমঞ্চ ও দোলমঞ্চ প্রমান সরুপ দেখা মিলে।রাজবাড়ি এক সময় যশোর জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল,পরবর্তীতে ১৮১১ সালে ফরিদপুর জেলা সৃষ্টি হলে রাজবাড়ী ফরিদপুর জেলার অন্তর্ভুক্ত হয়।প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে ১৯৮৩সালে প্রতিটি থানা কে মান উন্নত থানায় রুপান্তর করেন।তখন রাজবাড়ি থানাকে মান উন্নত থানা ঘোষনা করেন,১৯৮৩ সালের ১৮ই জুলাই সকল মান উন্নত থানাকে উপজেলায় রুপান্তরিত করেন, তখন রাজবাড়ি থানা কে উপজেলায় রুপান্তরিত করেন।১৯৮৪সালের ১মার্চ সকল মহকুমা কে জেলায় রুপান্ত করেন,তখন রাজবাড়ি গোয়ালন্দ মহকুমা রাজবাড়িতে থাকায় রাজবাড়ি কে একটি পূর্ণাঙ্গ জেলায় রুপান্তরিত করা হয়। রাজবাড়ি জেলার ঐতিহ্য,রাজবাড়ি জেলা কে রেলের শহর বলা হয়,লেবু চাষের জন্য এ জেলা বিখ্যাত, দেশব্যাপী রাজবাড়ি জেলার চমচমের সুনাম সারা দেশেই রয়েছে।দৌলতদিয়া ও গোয়ালন্দ এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ফেরিঘাট রাজবাড়ির  দৌলতদিয়ায় অবস্থিত।দৌলতদিয়া ঘাট থেকে দক্ষিণ বঙ্গের ২৪টি জেলার সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে।রাজবাড়ি জেলার আকর্ষনীয় স্থান হল কালুখালী উপজেলা আর্চ ব্রীজ।এ ছাড়াও মোহনপুর গ্রাম ও বারেক গ্রাম এ জেলার অন্যতম সৌন্দর্যের প্রতীক। রাজবাড়ি জেলা ব্যান্ডিং শ্লোগান,”পদ্মা কন্যা রাজবাড়ি” তাকে নিয়ে আমরা গর্ব করি” রাজবাড়ি জেলার সীমান্তবর্তী জেলা সমুহের নাম কী পশ্চিমে কুষ্টিয়া জেলা,পূর্বে মানিকগঞ্জ জেলা,উত্তরে পাবনা জেলা,দক্ষিণে মাগুড়া জেলা। নদ-নদী রাজবাড়ি জেলার,রাজবাড়ি জেলায় বেশ কিছু নদ-নদী রয়েছে উল্লেখযোগ্য নদ-নদী গুলো হল,পদ্ম,গড়াই,চন্দনা,চত্রা,হড়াই ও কুমার নদী এ জেলার উল্লেখযোগ্য নদ-নদী। রাজবাড়ি জেলার জীববৈচিত্র রাজবাড়ি পদ্ম নদীর তীরবর্তী হওয়ায় এখানে,কাতল,ইলিশ, আইড়সহ বেশ কিছু সুস্বাদু পানির মাছ পাওয়া যায়। রাজবাড়ি জেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী রাজবাড়ি জেলায় বেশ কিছু ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস উল্লেখযোগ্য নৃগোষ্ঠী হল-বুনো,বিন্দি,বেহারা,বাগদী, কোল, ছাড়াও রাজবাড়িতে অবাঙ্গালী কিছু মানুষের বসবাস রয়েছে। রাজবাড়ি জেলার উপজেলা সমুহের নাম কী,রাজরাড়ি জেলায় ৫টি উপজেলা রয়েছে উপজেলা গুলো হল।রাজবাড়ি সদর উপজেলা,গোয়ালন্দ উপজেলা,পাংশা উপজেলা,বালিয়াকান্দি উপজেলা, কালুখালী উপজেলা. রাজবাড়ি জেলার থানা সমুহের নাম কী রাজবাড়ি জেলার থানা সমুহের নাম নিম্নে দেওয়া হল।বালিয়াকান্দি,পাংশা,রাজবাড়ী সদর, রাজবাড়ি জেলার পৌরসভা গুলোর  নাম কী রাজবাড়ি জেলায় মোট ৩টি পৌরসভা রয়েছে,রাজবাড়ি পৌরসভা, পাংশা পৌরসভা, গোয়ালন্দ পৌরসভা। রাজরাড়ি জেলার সংসদীয় কয়টি ও আসন গুলোর নাম কী, রাজবাড়ি জেলায় ২টি সংসদীয় আসন আছে, নিম্নে নাম গুলো দেওয়া হল। জাতীয় সংসদের নির্বাচনী আসন। জাতীয় সংসদের নির্বাচনী আসনের নাম। ২০৯রাজবাড়ি জেলা-১ রাজবাড়ি উপজেলা সদর এবং গোয়ালন্দ উপজেলা। ২১০রাজবাড়ি জেলা-২ পাংসা উপজেলা,কালুখালী উপজেলা ও বালিয়াকান্দি উপজেলা নিয়ে গঠিত।  রাজবাড়ি জেলায় পৌরসভা কয়টি আছে? ৩টি পৌরসভা রাজবাড়ি জেলায় রয়েছে। রাজবাড়ি জেলায় ইউনিয়ন কয়টি আছে? ৪২টি ইউনিয়ন। রাজবাড়ি জেলা কত সালে প্রতিষ্টিত হয়েছে? ১৯৮৪ সালের ১মার্চ। রাজবাড়ি জেলায় কতটি সংসদীয় আসন আছে? রাজবাড়ি জেলায় ২টি সংসদীয়  আসন আছে। রাজবাড়ি জেলার আয়তন কত? মোট আয়তন:১০৯২.৩০ বর্গ কি:মি: রাজবাড়ি জেলার মোট জনসংখ্যা কত? ১০,১৫,৫১৯জন রাজবাড়ি জেলায় মোট জনসংখ্যার কত জন প্রতি কিলোমিটারে বসবাস  করে? ৯১০ জন। রাজবাড়ি জেলার শিক্ষার হার কত? ৫২.৩% রাজবাড়ি জেলায় মৌজা কয়টি? ৮২০টিরাজবাড়ি জেলার পোস্ট কোড কত? ৭৭০০ রাজবাড়ি জেলার প্রশাসনিক কোড কত? ৩০৮২ রাজবাড়ি জেলায় কতটি গ্রাম আছে? ৯৮৪টি। রাজবাড়ি জেলার অর্থনীতি,রাজবাড়ি মুলত কৃষি নির্ভরশীল একটি জেলা তবে এ জেলায় বৃহত শিল্পের মধ্যে গোয়ালন্দ টেক্সটাইল মিল,জুট মিল,রেক্টিফাইড স্পিরিট প্রস্তুতকারী  কারখানা অন্যতম।রাজবাড়ি জেলায় কামার,কুমার,তাতী,জেলে ও হরিজনের বসবাস রয়েছে।রাজবাড়িতে কিছু অবাঙ্গালীর বসবাস দেখা মিলে।রাজবাড়ি জেলার উৎপাদিত কৃষি পণ্য গুলহলধান,গম,সরিষা,ভূট্রা,যব,ইক্ষো,বাদাম,তামাক ফলন বেশি হয়। তবে এ জেলায় কৃষিজাত পণ্য উৎপাদিত হয়।কলা এবং মাছ চাষ কিরা হয় রাজবাড়ী জেলায়। রাজবাড়ি জেলার বিখ্যাত খাবার রাজবাড়ি জেলা খাবারের জন্য বিখ্যাত রাজবড়ির চমচম,পদ্ম নদীর ইলিশ, বিভিন্ন ধরনের শীতের পিঠা,খেজুরের রস,খেজুরের গুড় ইত্যাদি। রাজবাড়ি জেলার দর্শনীয় স্থানরাজবাড়ি জেলায় বেশ কিছু পর্যটকদের জন্য রয়েছে উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান,বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে রাজিবাড়ির সৌন্দর্য উপভোগ করতে যায় এ জেলার ইতিহাস ঐতিহ্য সমৃদ্ধ একটি জনপদ প্রাচীন কাল থেকেই। রাজবাড়ি জেলার চিত্তাকর্ষক স্থান? ধুঞ্চি গোদার বাজার (পদ্মনদী) গোয়ালন্দ ঘাট,কল্যাণদিঘি,চাঁদ সওদাগরের ঢিবি,দৌলতদিয়া ঘাট,রথখোলা সানমঞ্চ-বেলগাছি,নীলকুঠি,মুকুন্দিয়া জমিদার বাড়ি,বিল পুঠিয়া,কোলারহট,গোয়ালন্দের গনকবর,বারেকগ্রাম,পাংসা তারাপুর ব্রিজ বধ্যভূমি,লোকোশেড বধ্যভূমি,মাশালিয়া ব্রিজ রতনদিয়া সুইচ গেট,কুটি পাঁচুরিয়া জমিদার বাড়ি।

রাজবাড়ী জেলার দর্শনীয় স্থান রাজবাড়ী জেলায় বেশ কিছু পর্যটকদের জন্য উল্লেখযোগ্য
দর্শনীয় স্থান রয়েছে,বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে রাজবাড়ীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে
এ জেলার ইতিহাস ঐতিহ্য সমৃদ্ধ জনপদ।

রাজবাড়ী জেলার চিত্তাকর্ষক,ধুঞ্চি গোদার বাজার (পদ্মনদী),গোয়ালন্দ ঘাট,কল্যাণদিঘি,
চাঁদ সওদাগরের ঢিবি,দৌলতদিয়া ঘাট,রথখোলা সানমঞ্চ-বেলগাছি,নীলকুঠি,মুকুন্দিয়া জমিদার বাড়ি,
বিল পুঠিয়া,কোলারহট,গোয়ালন্দের গনকবর,বারেকগ্রাম,পাংসা তারাপুর ব্রিজ বধ্যভূমি,
লোকোশেড বধ্যভূমি,মাশালিয়া ব্রিজরতনদিয়া সুইচ গেট,কুটি পাঁচুরিয়া জমিদার বাড়ি।


রাজবাড়ী জেলার ভৌগলিক পরিচিতি
পশ্চিমে কুষ্টিয়া জেলা,পূর্বে মানিকগঞ্জ জেলা,উত্তরে পাবনা জেলা,দক্ষিণে মাগুড়া জেলা।
সীমানা: রাজবাড়ী জেলার উত্তরে পদ্মা নদী,পশ্চিম থেকে পূর্বে পদ্মা ও যমুনার সঙ্গমস্থল দৌলতদিয়ার
সামান্য উত্তরে আরিচা ঘাট।পদ্মা নদীর অপর পাড়ে পাবনা জেলা ও মানিকগঞ্জ জেলা অবস্থিত।
রাজবাড়ীর দক্ষিণ দিকে পদ্মাা নদীর শাখা নদী,গড়াই-এর ওপারে ঝিনাইদহ ও মাগুরা জেল।
পূর্বে ফরিদপুর ও পশ্চিমে কুষ্টিয়া জেলা। রাজবাড়িকে ঘিরে পদ্মা,চন্দনা,গড়াই নদী ও
হড়াই নদী, কুমার নদী, ও চিত্রা নদী অবস্থিত।

রাজবাড়ী জেলার নামকরণের ইতিহাস
রাজবাড়ী জেলা বিভিন্ন রাজার শাসনামলে পরিচালিত হওয়ায় জেলাটির নাম রাজবাড়ী রাখার বেশ
যুক্তি আছে তবে কোন রাজার নাম অনুসারে রাখা হয়ে সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি।তবে নাওয়াবা
চৌধুরীগনের বাড়ি,রাজবাড়ি নামে ডাকা হত, ধারণা করা হয়
সূর্য কুমারের নামানুসারে রাজবাড়ীর নামকরণ করা হয়েছে।

রাজবাড়ী জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য 
বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদটি জেলায় উন্নতি হওয়ার আগে,রাজবাড়ী জেলা বিভিন্ন জেলার অন্তভুক্ত ছিল,
১৭৬৫ সালে ইংরেজরা দেওয়ানী লাভের পর বাংলা বিহার,উড়িষ্যা লাভের পর উত্তর-পশ্চিম ফরিদপুরের
অন্তর্ভুক্ত ছিল।রাজবাড়ী জেলার বেশির ভাগ অঞ্চল রাজশাহীর জমিদারি অংশ ছিল।রাজবাড়িতে
নাটোর রাজার জমিদারির চিহ্ন রয়েছে,রাজবাড়ি জেলার বেলগাছিতে স্নানমঞ্চ ও দোলমঞ্চ
প্রমান সরুপ দেখা মিলে।রাজবাড়ী এক সময় যশোর জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল,পরবর্তীতে ১৮১১ সালে
ফরিদপুর জেলা সৃষ্টি হলে রাজবাড়ী ফরিদপুর জেলার অন্তর্ভুক্ত হয়।প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে
১৯৮৩সালে প্রতিটি থানা কে মান উন্নত থানায় রুপান্তর করেন।তখন রাজবাড়ী থানাকে মান উন্নত
থানা ঘোষনা করেন,১৯৮৩ সালের ১৮ই জুলাই সকল মান উন্নত থানাকে উপজেলায় রুপান্তরিত করেন,
তখন রাজবাড়ী থানা কে উপজেলায় রুপান্তরিত করেন।১৯৮৪সালের ১মার্চ সকল মহকুমা কে জেলায়
রুপান্ত করেন,তখন রাজবাড়ি গোয়ালন্দ মহকুমা রাজবাড়িতে থাকায় রাজবাড়ি কে একটি পূর্ণাঙ্গ
জেলায় রুপান্তরিত করা হয়।

রাজবাড়ী জেলার ঐতিহ্য,রাজবাড়ী জেলা কে রেলের শহর বলা হয়,লেবু চাষের জন্য
এ জেলা বিখ্যাত, দেশব্যাপী রাজবাড়ি জেলার চমচমের সুনাম সারা দেশেই রয়েছে।
দৌলতদিয়া ও গোয়ালন্দ এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ফেরিঘাট রাজবাড়ীর 
দৌলতদিয়ায় অবস্থিত।দৌলতদিয়া ঘাট থেকে দক্ষিণ বঙ্গের ২৪টি জেলার সাথে
যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে।রাজবাড়ী জেলার আকর্ষনীয় স্থান হল কালুখালী
উপজেলা আর্চ ব্রীজ।এ ছাড়াও মোহনপুর গ্রাম ও বারেক গ্রাম
এ জেলার অন্যতম সৌন্দর্যের প্রতীক।

রাজবাড়ী জেলা ব্যান্ডিং শ্লোগান,পদ্মা কন্যা রাজবাড়ী” তাকে নিয়ে আমরা গর্ব করি”

রাজবাড়ী জেলার সীমান্তবর্তী জেলা সমুহের নাম কী

পশ্চিমে কুষ্টিয়া জেলা,পূর্বে মানিকগঞ্জ জেলা,উত্তরে পাবনা জেলা,দক্ষিণে মাগুড়া জেলা।


নদ-নদী রাজবাড়ী জেলার

রাজবাড়ী জেলায় বেশ কিছু নদ-নদী রয়েছে উল্লেখযোগ্য নদ-নদী গুলো হল,পদ্মা,গড়াই,চন্দনা,

চিত্রা,হড়াই ও কুমার নদী এ জেলার উল্লেখযোগ্য নদ-নদী।


রাজবাড়ী জেলার জীববৈচিত্র রাজবাড়ী পদ্মা নদীর তীরবর্তী হওয়ায় এখানে,কাতল,ইলিশ,

আইড়সহ বেশ কিছু সুস্বাদু পানির মাছ পাওয়া যায়।


রাজবাড়ী জেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী

রাজবাড়ী জেলায় বেশ কিছু ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস উল্লেখযোগ্য নৃগোষ্ঠী হল-বুনো,বিন্দি,বেহারা,বাগদী,

কোল, ছাড়াও রাজবাড়ীতে অবাঙ্গালী কিছু মানুষের বসবাস রয়েছে।


রাজবাড়ী জেলার উপজেলা সমুহের নাম কী,রাজরাড়ী জেলায় ৫টি উপজেলা রয়েছে উপজেলা গুলো হল।

রাজবাড়ী সদর উপজেলা,গোয়ালন্দ উপজেলা,পাংশা উপজেলা,বালিয়াকান্দি উপজেলা, কালুখালী উপজেলা.


রাজবাড়ী জেলার থানা সমুহের নাম কী

রাজবাড়ী জেলার থানা সমুহের নাম নিম্নে দেওয়া হল।বালিয়াকান্দি,পাংশা,রাজবাড়ী সদর.


রাজবাড়ী জেলার পৌরসভা গুলোর  নাম কী

রাজবাড়ি জেলায় মোট ৩টি পৌরসভা রয়েছে,রাজবাড়ি পৌরসভা, পাংশা পৌরসভা, গোয়ালন্দ পৌরসভা।


রাজরাড়ী জেলার সংসদীয় আসন কয়টি নাম গুলো কী?
রাজবাড়ি জেলায় ২টি সংসদীয় আসন আছে, নিম্নে নাম গুলো দেওয়া হল।

জাতীয় সংসদের নির্বাচনী আসন।

জাতীয় সংসদের নির্বাচনী আসনের নাম।

২০৯রাজবাড়ী জেলা-১

রাজবাড়ী উপজেলা সদর এবং গোয়ালন্দ উপজেলা।

২১০রাজবাড়ী জেলা-২

পাংসা উপজেলা,কালুখালী উপজেলা ও বালিয়াকান্দি উপজেলা নিয়ে গঠিত।


রাজবাড়ী জেলায় পৌরসভা কয়টি আছে?
৩টি পৌরসভা রাজবাড়ী জেলায় রয়েছে।

রাজবাড়ী জেলায় ইউনিয়ন কয়টি আছে?
৪২টি ইউনিয়ন।

রাজবাড়ী জেলা কত সালে প্রতিষ্টিত হয়েছে?
১৯৮৪ সালের ১মার্চ।

রাজবাড়ী জেলায় কতটি সংসদীয় আসন আছে?
রাজবাড়ী জেলায় ২টি সংসদীয়  আসন আছে।

রাজবাড়ী জেলার আয়তন কত?
মোট আয়তন:১০৯২.৩০ বর্গ কি:মি:

রাজবাড়ী জেলার মোট জনসংখ্যা কত?
১০,১৫,৫১৯জন

রাজবাড়ী জেলায় মোট জনসংখ্যার কত জন প্রতি কিলোমিটারে বসবাস  করে?
৮৫১ জন।

রাজবাড়ী জেলার শিক্ষার হার কত?
৫২.৩%

রাজবাড়ী জেলায় মৌজা কয়টি?
৮২০টি

রাজবাড়ী জেলার পোস্ট কোড কত?
৭৭০০

রাজবাড়ী জেলার প্রশাসনিক কোড কত?
৩০৮২

রাজবাড়ী জেলায় কতটি গ্রাম আছে?
৯৮৪টি।

রাজবাড়ী জেলার অর্থনীতি,রাজবাড়ি মুলত কৃষি নির্ভরশীল একটি জেলা তবে এ জেলায়
বৃহত শিল্পের মধ্যে গোয়ালন্দ টেক্সটাইল মিল,জুট মিল,রেক্টিফাইড স্পিরিট প্রস্তুতকারী 
কারখানা অন্যতম।

রাজবাড়ী জেলায় কামার,কুমার,তাতী,জেলে ও হরিজনের বসবাস রয়েছে।
রাজবাড়ীতে কিছু অবাঙ্গালীর বসবাস দেখা মিলে।রাজবাড়ী জেলার উৎপাদিত
কৃষি পণ্য গুলহলধান,গম,সরিষা,ভূট্রা,যব,ইক্ষো,বাদাম,তামাক ফলন বেশি হয়।
তবে এ জেলায় কৃষিজাত পণ্য উৎপাদিত হয়।কলা এবং মাছ চাষ করা হয়.

রাজবাড়ী জেলার বিখ্যাত খাবার রাজবাড়ী জেলা খাবারের জন্য বিখ্যাত রাজবড়ীর চমচম,
পদ্মা নদীর ইলিশ, বিভিন্ন ধরনের শীতের পিঠা,খেজুরের রস,খেজুরের গুড় ইত্যাদি।

পরিচিতদেরকে জানাতে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

অর্ডিনারি আইটি কী?