ব্লগবিডি.কম https://www.vlogbd.com/2022/10/Bohora-rubber-dam-madhubpur-habiganj.html

বহরা রাবার ড্যাম ,মাধবপুরের হবিগঞ্জ জেলায়


বহরা রাবার ড্যামের জলরাশি দেখতে পর্যটকদের উপছে পড়া ভিড়।


বহরা রাবার ড্রাম হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার  বহরা ইউনিয়নে সোনাই নদীর পর বাঁধ নির্মান করার ফলে,এখানে গড়ে উঠেছে,পর্যটন কেন্দ্র। হবিগঞ্জ এবং ব্রাহ্মণ্যবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকেছু টে আসে পর্যটকেরা সোনাই নদীর উপর নির্মিত রাবার ড্রামের জল রাশির সৌন্দর্য উপভোগ করতে।


ভ্রমণপিপাসুদের দেখার মত কী আছে রাবার ড্রামে? নদীর দু পাশে সবুজ অরণ্যেভরপুর-রাবার ড্রামের জলরাশিতে বন্ধু-বান্ধবরা মিলে গোসলে মেতে উঠে।রাবার ড্রামের স্বচ্ছ পানিতে গোসল করলে সুইমিংপুলের ফিল পাওয়া যায়।প্রবল বর্ষায় পানির গতি বেশি থাকার ফলে,বাঁধ পেরিয়ে পানি নামার দৃশ্য পাহাড়ি ঝর্ণার মত দেখতে লাগে।শুকনো মৌসুমে ও এখানে পানি থাকে।রাবার ড্রাম কে ঘিরে তৈরি হয়েছে ইকোপার্ক,রেস্ট রুম,ব্রীজের পাশে বেশ কয়েকটি চা স্টল রয়েছে।বর্ষার প্রবল বেগে স্রোতের,
জিরি জিরি শব্দে অন্য রকম পরিবেশ তৈরি হয়।


রাবার ড্রামের উপর থেকে  দাড়িয়ে সোনাই লেক ও রাবার ড্রামের নান্দনিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারা যায়।আগত পর্যটকেরা ছবি ভিডি, নিজেদের সোস্যাল মিডিয়ায় আপলোড দিয়ে বন্ধুদের সাথে আনন্দ উপভোগ করে। বিভিন্ন উৎসব কে কেন্দ্র করে ভ্রমন পিপাসুরা   ছুটে আসে স্ব-পরিবার নিয়ে।সোনাই নদীতে নির্মিত ব্রীজ দিয়ে এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা যাতায়ত করে নিয়মিত।সোনাই নদী সরাসরি ইন্ডিয়া থেকে চৌমুহনী ও বহরা ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার তিতাস নদীর সাথে মিশে গেছে।তিতাস নদীর পাড়ে আরেক টি দর্শনীয় স্থান রয়েছে "হরিপুর জমিদার বাড়ি"মাধবপুর বাজার থেকে খুব সহজে হরিপুরে যাওয়া যায়।সোনাই নদীতে চৌমুহনী ইউনিয়নে আরেকটি রাবারড্রাম রয়েছে।নদীর দু পাশে গড়ে তুলা হয়েছে  ইট সিমেন্ট,কনক্রিটের  ঢালাই করা দেওয়াল,নদীর পাড়ে বসে দর্শনার্থীরা গোশ গল্পে মেতে উঠে।



কিভাবে যাবেন:মাধবপুর বাস স্টান্ড থেকে সিন এন জি যুগে,মনতলা বাজারে যেতে হবে। মনতলা থেকে রিক্সা,টম টম বা সি এনি জি দিয়ে বহরা রাবার ড্রামে যাওয়া যায় খুব সহজে।
মাধবপুর থেকে বহরা রাবার ড্রামের ভাড়া ৫0 টাকা ভাড়া।


বহরা রাবার ড্রামের জলরাশি দেখতে পর্যটকদের উপছে পড়া ভিড়।  বহরা রাবার ড্রাম হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার  বহরা ইউনিয়নে সোনাই নদীর  উপর বাঁধ নির্মান করার ফলে,এখানে গড়ে উঠেছে,পর্যটন কেন্দ্র। হবিগঞ্জ এবং ব্রাহ্মণ্যবাড়িয়া জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসে পর্যটকেরা সোনাই নদীর উপর  নির্মিত রাবার ড্রামের জল রাশির সৌন্দর্য উপভোগ করতে।  ভ্রমণপিপাসুদের দেখার মত কী আছে রাবার ড্রামে? নদীর দু পাশে সবুজ অরণ্যেভরপুর-রাবার ড্রামের জলরাশিতে বন্ধু-বান্ধবরা মিলে গোসলে মেতে উঠে।রাবার ড্রামের স্বচ্ছ পানিতে গোসল করলে সুইমিংপুলের ফিল পাওয়া যায়।প্রবল বর্ষায় পানির গতি বেশি থাকার ফলে,বাঁধ পেরিয়ে পানি নামার দৃশ্য পাহাড়ি ঝর্ণার মত দেখতে লাগে।শুকনো মৌসুমে ও এখানে পানি থাকে।রাবার ড্রাম কে ঘিরে তৈরি হয়েছে ইকোপার্ক,রেস্ট রুম,ব্রীজের পাশে বেশ কয়েকটি চা স্টল রয়েছে।বর্ষার প্রবল বেগে স্রোতের, জিরি জিরি শব্দে অন্য রকম পরিবেশ তৈরি হয়।  রাবার ড্রামের উপর থেকে  দাড়িয়ে সোনাই লেক ও রাবার ড্রামের নান্দনিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারা যায়।আগত পর্যটকেরা ছবি ভিডি, নিজেদের সোস্যাল মিডিয়ায় আপলোড দিয়ে বন্ধুদের সাথে আনন্দ উপভোগ করে। বিভিন্ন উৎসব কে কেন্দ্র করে ভ্রমন পিপাসুরা   ছুটে আসে স্ব-পরিবার নিয়ে।সোনাই নদীতে নির্মিত ব্রীজ দিয়ে এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা যাতায়ত করে নিয়মিত।  সোনাই নদী সরাসরি ইন্ডিয়া থেকে চৌমুহনী ও বহরা ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার তিতাস নদীর সাথে মিশে গেছে।তিতাস নদীর পাড়ে আরেক টি দর্শনীয় স্থান রয়েছে "হরিপুর জমিদার বাড়ি"মাধবপুর বাজার থেকে খুব সহজে হরিপুরে যাওয়া যায়।সোনাই নদীতে চৌমুহনী ইউনিয়নে আরেকটি রাবারড্রাম রয়েছে।নদীর দু পাশে গড়ে তুলা হয়েছে  ইট সিমেন্ট,কনক্রিটের  ঢালাই করা দেওয়াল,নদীর পাড়ে বসে দর্শনার্থীরা গোশ গল্পে মেতে উঠে।  কিভাবে যাবেন:মাধবপুর বাস স্টান্ড থেকে সিন এন জি যুগে,মনতলা বাজারে যেতে হবে। মনতলা থেকে রিক্সা,টম টম বা সি এনি জি দিয়ে বহরা রাবার ড্রামে যাওয়া যায় খুব সহজে। মাধবপুর থেকে বহরা রাবার ড্রামের ভাড়া ৫0 টাকা ভাড়া।
বহরা রাবার ড্রাম 


 

পরিচিতদেরকে জানাতে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

অর্ডিনারি আইটি কী?